সতকর্তা! আমফানের সময় কী করবেন আর কী করবেন না

তীব্র শক্তি নিয়ে ধেয়ে ঘূর্ণিঝড় আমফান। করোনা চোখরাঙানির মধ্যেই আমফান আতঙ্ক। ঝড়ের আগে ও সময় কী করবেন কী করবেন না, জেনে নিন।

ঝড়ের আগে নিজের ও পরিবারের সকলের ফোন ফুল চার্জ করে রাখুন। যাতে ঝড়ের সময় বিদ্যুৎ না থাকলেও যোগাযোগ করার জন্য ফোনের ব্যবহার করতে পারবেন৷।

Ad by Valueimpression
নিজের ও পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ নথি ওয়াটারপ্রুফ প্যাকেটের মধ্যে রেখে দিন। ফলে ঝড়-বৃষ্টিতে সেসব নথি সুরক্ষিত থাকবে৷

একই রকমভাবে কিছু শুকনো খাবার, ওষুধ, পানি ও জামা কাপড় আলাধা করে বেঁধে রাখুন। আপদকালীন পরিস্থিতিতে বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে হলে কাজে লাগবে। কারণ তাৎক্ষণিক এই ধরণের জোগাড় করা মুশকিল হবে৷

পোষা প্রাণী বা গবাদি পশু বেঁধে রাখবেন না। কারণ ঝড়ের গতি মারাত্মক হলে এতে তাদের বিপদ হতে পারে।

একই রকমভাবে মৎসজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নিজেদের নৌকাও সমুদ্রের থেকে দূরে সুরক্ষিত জায়গার রাখুন।

এবার আসা যাক ঝড়ের সময় কীভাবে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে হবে সে ব্যাপারে। বাড়ির মূল বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করতে হবে। একইভাবে গ্যাস লাইনও খুলে রাখতে হবে।

কাঁচা বাড়ি বা ক্ষতিগ্রস্থ পাকা বাড়িতে থাকবেন না। ঝড়ের সময় তা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকে। যদি মনে হয় যে বাড়িতে থাকছেন তা সুরক্ষিত নয়, তাহলে নিকটবর্তী আশ্রয় কেন্দ্রে বা কাছাকাছি কোনো সুরক্ষিত পাকা বাড়িতে আশ্রয় নিন। অন্তত ঝড়ের সময়।

ঝড়ের সময় যদি কোনোভাবে বাড়ির বাইরে থাকেন, তাহলে ছিঁড়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, বা ধারালো জিনিসের থেকে দূরে থাকুন। চেষ্টা করুন কোনো আশ্রয়স্থল খুঁজতে। এছাড়া যেভাবে করোনার জন্য মাস্ক, গ্লাভস পরা হচ্ছে, সেই সব পরে থাকুন। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে থাকুন।

প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে আমফান এই মুহূর্তে বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আমফান মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে মাইকিং করা হচ্ছে।