এবার সহযোগিতা চাইলেন ন্যাশনাল কিন্ডারগাটেন ফোরাম বাংলাদেশ

এবার সহযোগিতা চাইলেন ন্যাশনাল কিন্ডারগাটেন ফোরাম বাংলাদেশ

এই সংকটময় পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা কামনা করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতার কারণে কিন্ডারগার্টেন স্কুলসমূহে প্রতিবছর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তথা অধিদপ্তরের মাধ্যমে যেভাবে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয় তেমনিভাবে যে কোন মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আনুমানিক ব্যয় অনুপাতে সরকারি প্রণোদনা প্রদান করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত দেশের সব কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ৫০০ কোটি টাকা প্রণোদনা চেয়ে ন্যাশনাল কিন্ডারগাটেন ফোরাম বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান হাসান মুকুল, মহাসচিব কাজী সরোয়ার খান মনজু এ বিবৃতি দেন।
সংগঠনটি বলছে, সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীদের বেতনের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এসব কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তাছাড়া কিন্ডারগার্টেন যেহেতু দেশের শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের দায়িত্ব নিয়ে সরকারের ভার লাঘব করছে, তাই এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়ানো সরকারের কর্তব্য।

বিবৃতিতে বলেন, সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যেগে নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত সারাদেশে হাজার হাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুল রয়েছে। এসব স্কুলে লেখাপড়া করছে প্রায় ১ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী। করোনাভাইরাসের কারণে অন্য সব প্রতিষ্ঠানের মতো কিন্ডারগার্টেনও বন্ধ রয়েছে। একইসঙ্গে শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগও বন্ধ। কিন্তু শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতনের ওপরই এসব কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক ও কর্মচারীদের জীবিকা নির্বাহ করতে হয়।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, শিক্ষকরা বর্তমান পরিস্থিতিতে মানবেতর অবস্থায় থাকলেও সম্মানের খাতিরে তারা ত্রাণের জন্য দাঁড়াতে পারেন না।

এসব স্কুল যদি না থাকত, তাহলে সরকারকে আরও হাজার হাজার বিদ্যালয় স্থাপন করে প্রতি মাসে শিক্ষক বেতন বাবৎ কোটি কোটি টাকা ব্যয় করতে হতো। সেদিক থেকে আমরা সরকারের বিরাট রাজস্ব ব্যয় কমিয়ে দিয়েছি।

বেসরকারি স্কুল শিক্ষকরা কখনো সরকারের কাছে বেতন-ভাতার জন্য আবেদন করেনি। বর্তমান পেক্ষাপটে এ প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখার স্বার্থে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসব স্কুলের জন্য ৫০০ কোটি টাকা প্রণোদনা বরাদ্দের দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদটি ফেসবুকে শেয়ার করুন