প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে মনিটরিংয়ে নগদ সহায়তার দুর্নীতি ধরা পড়ে

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে মনিটরিংয়ে নগদ সহায়তার দুর্নীতি ধরা পড়ে

সরকারের প্রযুক্তিগত নজরদারি জোরদারের ফলে কেউ চাইলেই এখন আর অনিয়ম দুর্নীতি করতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে মনিটরিং-এর ফলেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দরিদ্রদের নগদ সহায়তা কার্যক্রমের দুর্নীতি ধরা পড়ে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী। এ অবস্থায় সব নাগরিকের মোবাইল নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্রের সমন্বয়ে একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরির পরামর্শ তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের।

করোনা পরিস্থিতিতে গত ২৬ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকেই নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ত্রাণ সরবরাহ শুরু করে সরকার। সবশেষ গত বৃহস্পতিবার দেশে প্রথমবারের মতো ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নগদ আড়াই হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তবে নগদ অর্থ সহায়তার এ কর্মসূচিতেও সামনে আসে অনিয়মের চিত্র। গণমাধ্যমে খবরে উঠে আসে একাধিক ব্যক্তির নামে একই মোবাইল নম্বর ব্যবহারের তথ্য। এরই ধারাবাহিকতায় এমন ৮ লাখ মোবাইল নম্বর শনাক্ত করার কথা জানায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রযুক্তিগত নজরদারি ফলেই এই অনিয়ম চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিস্টেমতা এমনভাবে করা হয়েছে, এক নাম্বার একাধিকবার থাকলে সেখানে টাকা যাবে না। ডাটাবেজ যাচাই-বাছাই চলছে। ডাটাবেজ হয়ে গেলে আর সমস্যা হবে না।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে ব্যাপক সহায়ক হবে পারে প্রযুক্তিগত সহায়তা। এক্ষেত্রে সব নাগরিকের মোবাইল নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্রের সমন্বয়ে একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরির পরামর্শ তাদের।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সেলিম ভাই বলেন, এনআইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার থাকলে ভুয়া ঘটনা ঘতার সম্ভাবনা আরো কমে আসবে। যে কোন ক্ষেত্রে একটি ইউনিক আইডি থাকলে তাতে সহজেই ট্রেস করা সম্ভব।

সব নাগরিকের প্রকৃত মোবাইল নম্বরের তথ্য পেতে মোবাইল অপারেটরগুলোর সহায়তা নেয়ার পরামর্শ তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের।

সংবাদটি ফেসবুকে শেয়ার করুন




Do NOT follow this link or you will be banned from the site!