তৎসম,অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দগুলো নিয়ে সাজানো একটি গুরুত্বপুর্ন নোট

তৎসম,অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দগুলো নিয়ে সাজানো একটি গুরুত্বপুর্ন নোট

যাদের তৎসম,অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দগুলো পরীক্ষার হলে হঠাৎ মনে আসে না।সচরাচর পরীক্ষায় কমন আসে এমন শব্দ দিয়ে নোটটি সাজানো হয়েছে। তৎসম শব্দ: সু পাত্র দেখে কন্যা হস্তগত করলে চন্দ্র,সূর্য,গ্রহ ও নক্ষত্রের ন্যায় মস্তক উজ্জ্বল হবে।গৃহিণীও মনুষ্য জাতি তাই তাদের সাথে ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী আচরণ করা উচিত।ব্যাখ্যা: পাত্র,কন্যা,হস্ত চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র,মস্তক,গৃহিণী, মনুষ্য,ধর্ম। অর্ধ-তৎসম:জোছনা কেষ্টকে ভালোবেসে নেমন্তন করতে কুচ্ছিত হলো না।ভালোবাসায় ছেরাদ্দ থাকতে হয়;শুধু গিন্নি ভেবে চন্দর রাতে ভোগ করার নাম পেন্নাম নয়।ব্যাখ্যা: জোছনা,কেষ্ট,নেমন্তন, কুচ্ছিত,ছেরাদ্দ, গিন্নি,চন্দর,পেন্নাম। তদ্ভব শব্দ : চাঁদ রাতে গায়ে সুগন্ধি তেল মেখে প্রেয়সীর হাত,পা ও কানে চুমো দেওয়ার নাম ভালোবাসা নয়।প্রকৃত ভালোবাসার মূল কাজ হচ্ছে বই পড়ে ভালো চাকরি পেয়ে ভালোবাসার মানুষটিকে দুধে-ভাতে রাখা।ব্যাখ্যা: চাঁদ,রাত,গা,তেল,হাত,পা,কান,কাজ,বই,ভাত। দেশি শব্দ:গঞ্জ থেকে এক কুড়ি ডাগর ডাব কিনে পেট পুরে আমার পাগলি’টাকে টোপর পড়িয়ে ডিঙ্গা নৌকায় করে চোঙ্গা মেলার থেকে চুলা ও কুলা উপহার দিয়ে ঢেঁকিতে ভালোবাসার রসালো ধান ভাঙ্গলাম।ব্যাখ্যা: গঞ্জ,কুড়ি,ডাগর,ডাব,পেট,টোপর,ডিঙ্গা, চোঙ্গা, চুলা,কুলা,ঢেঁকি।

সংবাদটি ফেসবুকে শেয়ার করুন




Do NOT follow this link or you will be banned from the site!