চাকরিতে পদোন্নতি না হওয়ার ৫ কারণ

চাকরিতে পদোন্নতি না হওয়ার ৫ কারণ

জীবনে সবাই সফল হতে পারে না। অনেকেই অনেক যোগ্যতা নিয়েও যেমন উন্নতির চূড়া স্পর্শ করতে পারে না, আবার এমন অনেকেই আছেন যারা তুলনামূলক কম যোগ্য হয়েও নানা কৌশলে যোগ্যতম হয়ে উঠেন। কিংবা দ্রুত উন্নতি লাভ করেন। কেউ কেউ আবার দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে কাজ করেও পদোন্নতি পান না।

মূলত পদোন্নতি পাওয়া না-পাওয়া নিয়েই আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন। যেখানে বার্তা সংস্থা রয়টার্স দেখিয়েছে, কেন একজন চাকরিজীবী কর্মক্ষেত্রে ভালো কাজ দেখিয়েও পদোন্নতি পান না। পদোন্নতির ক্ষেত্রে অন্যান্য কিছু বিষয়ও যে জড়িয়ে থাকে সেটিও লন্ডন ভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি না পাওয়ার সম্ভাব্য কারণগুলো-

পরচর্চা: যদি আপনি কর্মস্থলে আপনার সহকর্মীদের নিয়েই কথায়-আড্ডায় ব্যস্ত থাকেন তবে অবসরের সময় চলে এলেও পদোন্নতি আপনি পাবেন না। তবে অবশ্যেই সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ রাখতে হবে। তবে সেটা কাজের ক্ষতি করে নয়। কারণ যোগাযোগ দক্ষতাও পদোন্নতিতে বড় ভূমিকা রাখে। অফিসে কখনও কোনও সহকর্মীকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা যাবে না, কাউকে নিয়ে গুজব রটানো যাবে না। নিজেকে সবসময় সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। এসব যারা না পারেন তারাই পদোন্নতি বঞ্চিত হন।

শুধুই অভিযোগ: যদি আপনি সবসময়ই আপনার চাকরি নিয়ে অভিযোগ করতেই থাকেন তবে পদোন্নতিতে তা বাধা হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যারা সবসময় অন্যের কাজ বা অন্যের ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ করেন তাদের কর্মক্ষেত্রে উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব বিষয় খেয়াল রেখেই তার অধীনস্তকে পদোন্নতি দেন।

কাজ আর কাজ: শুধু কাজে ডুবে থাকলেই পদোন্নতি হবে না। যদি আপনি বসের দ্বারা প্রভাবিত হন কিংবা তাকে যেকোনও বিষয়ে ‘না’ বলতে না পারেন তবে চাকরিজীবনে উন্নতি অধরাই থাকতে পারে। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আপনার পাশের একজন সহকর্মী সেই সুবিধাটুকু লুফে নিয়ে যাবে। আপনি তখন শুধু অপেক্ষাই করবেন, কাউকে বলতেও পারবেন না। ফলে বস খুশি হোক বা না হোক- কিছু কিছু সময়ে সঠিক কথাটির পক্ষ নিতে হবে।

রেগে যাওয়া: রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। তাই বলে যে রাগ থাকবেই না এমন নয়। কিন্তু পরিস্থিতি বুঝে নিজেকে সংযত রাখতে না পারলে তা পদোন্নতির ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর অতিরিক্ত রাগী লোককে এমনিতেও কেউ পছন্দ করে না।

আমিই শ্রেষ্ঠ: এই ভাবখানা নিজের মধ্যে রাখা যাবে না। মনে রাখতে হবে, যোগ্যতা নিয়ে আপনার সহকর্মীরাও চাকরি করতে এসেছেন। পার্থক্য থাকবেই। কিন্তু কাউকে অযোগ্য ভাবা যাবে না। যদি নিজেকেই শুধু শ্রেষ্ঠ আর যোগ্যতম ভাবেন তবে বসের চোখেও ধীরে ধীরে আপনি অযোগ্য প্রমাণ হতে পারেন। তাতে পদোন্নতির পথটাও বন্ধ হয়ে যাবে।

সংবাদটি ফেসবুকে শেয়ার করুন




Do NOT follow this link or you will be banned from the site!