এই দুঃসময়েও গার্মেন্টসের জন্য সুখবর

এই দুঃসময়েও গার্মেন্টসের জন্য সুখবর

করোনা ভাইরাসের এই দুঃসময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদন সম্ভব হলে আগামী আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর হলিডে এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর – স্প্রিং মৌসুমে অন্তত ১ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের কার্যাদেশ পাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাতে। বিশেষ করে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোতে করোনার প্রভাব তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে পণ্য কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করছে।

বছরের ১২ মাসকে চার ভাগে ভাগ করে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক কিনে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা। আর একেকটি মৌসুম শুরু’র অন্তত তিন মাস আগেই কার্যাদেশ দেয় তারা।
কিন্তু চলতি বছর জুন-জুলাইয়ের ফল মৌসুম শুরুর আগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ায় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তৈরি পোশাক শিল্প খাত।

কিন্তু সমালোচনা সত্ত্বেও ২৬ এপ্রিল থেকে খোলা হয় দেশের অধিকাংশ গার্মেন্টস কারখানা। এরমধ্যেই শুরু হয়েছে আসন্ন হলিডে এবং স্প্রিং মৌসুমের কার্যাদেশ আসা।
বিজিএমইএ পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ বলেন, এখন তারা একটা ধীরে ধীরে একটা বিশ্বাসের মধ্যে আসছে। আমরা স্যাম্পল দিচ্ছি। অর্ডারগুলো ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে।

জুলাই মাসের আগেই হলিডে এবং আগস্ট মাসে স্প্রিং মৌসুমের মালামাল প্রস্তুতের তাগাদা দিচ্ছে বায়াররা। একই সাথে কারখানা শ্রমিকদের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কঠিন শর্ত দেয়া হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।
বিজিএমইএ সহ সভাপতি এ এম চৌধুরী সেলিম বলেন, আমাদের ওপর বায়াররা আস্থা রাখেন যার জন্য তারা ধীরে ধীরে ব্যবসায় ফিরে আসতে চাইছেন।
ফল মৌসুমে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাত ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতির মুখে পড়লেও আগামী দু’মাসের কার্যাদেশে তা কাটিয়ে ওঠার আশা করছেন গার্মেন্টস মালিকরা। জাপানও এখন বাংলাদেশ থেকে পোশাক কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করছে।
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব বলেন, হলিডে সিজন, স্প্রিং মৌসুমের জন্য বেশ বড় বড় অর্ডরি পাচ্ছি।
দেশের সাড়ে চার হাজারের বেশি গার্মেন্টস কারখানায় শ্রমিক রয়েছেন ৮০ লাখ। বিশ্বে পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

সংবাদটি ফেসবুকে শেয়ার করুন




Do NOT follow this link or you will be banned from the site!